"/> অন্তর্জাল

ট্রাম্পের বিজয়ে কিভাবে বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থাকে চেঞ্জ করবে
-11/11/2016





 

১। ব্রেটন উডস সিস্টেমে একটা বড় পরিবর্তন আসবে। চাইনিজ ইয়েন ভিত্তিক একটা কারেন্সি সিস্টেম পেতে পারি যা অনেক গুলো দেশ এডপ্ট করবে। এবং যার ফলে, বিশ্বের উপরে মার্কিন দখল দারিত্তব অনেক হালকা হয়ে আসবে।

২। মার্কিনীরা সারা বিশ্বে লিবারটি এবং ফ্রিডমের নামে তাদের ঘৃণা এবং তাদের সাদা সুপেরিয়রিটি এবং সাম্রাজ্য ধংসের চর্চা চালিয়ে গ্যাছে, কিন্ত দেশের ভেতরে তারা ইকুয়ালিটির চর্চা করেছে। এইটা এখন তাদের ভেতরেই আসলো।
ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমান এবং হিস্পানিক জনগোষ্ঠীর অবস্থান দুর্বল হবে। এবং ব্যপাক ভাবে ডিপরটেশান করা হবে। রাস্তায় রাস্তায় সার্চ করা হবে, আইডেন্টিটি চেক করা হবে।

কিন্ত মারকিন যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে আর তেমন কোন পরিবর্তন আসবে বলে মনে হয় না।

৩। যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরবের সম্পর্কে পরিবর্তন আসবে। যেইটার কারণে, মিডল ইস্টের পাওয়ার স্ট্রাকচারে পরিবর্তন আসবে। ইরানের সাথে যে চুক্তি হয়েছে, এই চুক্তিটা বারাক ওবামার একমাত্র পজিটিভ লিগাসি যা ইজরায়েলের ইচ্ছার বিরুদ্ধে হয়েছে। সেই চুক্তিটা বাতিল করা হতে পারে ।

৪। ন্যাটো বাতিল হবেনা। মারকিন সাদা সুপারমেসিস্টরা বরং ন্যাটোর সাথে আর গভীর ভাবে আবদ্ধ হবে। কারণ, ইউরোপ জুড়ে ন্যাশনালিস্টরা ক্ষমতায় আসবে।

৫। গ্লবালাইজেশানের তেমন কোন ক্ষতি হবেনা। ম্যনুফাকচারিং জব আমেরিকাতে ফিরবেনা। কারণ, ম্যানুফাকচারিং এর কম্পিটিটিভ এডভান্টেজ আমেরিকার নাই। আমেরিকাকে নিজের আয় বাড়াতে হলে, নিজের দেশের জনগণের জন্যে ব্যবহৃত প্রডাক্টের দাম বাড়াতে হবে। আমেরিকার বেশী দামের জিনিষ বাকিরা কিনবেনা।

তাই, আমেরিকা বিভিন্ন রকম ট্রেড ব্যারিয়ার তৈরি করবে নতুন ট্যাক্স তৈরির মাধ্যমে এবং ট্রেড ব্যারিয়ারের ডাব্লিও টিও এর টারমস গুলোই নতুন ভাবে নির্ধারিত হবে।

বাংলাদেশের গারমেন্টস বেনেফিটেড হবে যদিনা কোন ধরণের এন্টি ডাম্পিং বা লেবার রাইটস নিয়ে কোন ধরণের স্পেশিয়াল ব্যান চালু হয়। কারণ, বাংলাদেশের গারমেন্টস এখন কোন সুবিধা পায় না। ফলে বিভিন্ন দেশের সাথে টিপিপি এবং বাই ল্যাটেরাল ট্রেড ডিল যদি পিছিয়ে যায় বাংলাদেশ গারমেন্টস সুবিধা পাবে।

৬। ভারতের সাথে আমেরিকার সম্পর্ক স্ট্রাটেজিক ভাবে আরো গুরুত্তপুরন হবে।

৭। রাশিয়ার সাথে দ্বন্দ্ব আর বাড়বে। ট্রাম্পের রাশিয়ান লিঙ্ক আরো একটা লিবারেল মিডিয়া প্রপাগান্ডা। রাশিয়ানরা হিলারিকে চায় নাই।কিন্ত তার মানে না, রাশিয়ার সাথে ট্রাম্পের সম্পর্ক আছে। আমেরিকান এস্টাব্লিশ্মেন্ট যেই ভাবে গড়া, তাতে তাদের ন্যাশনালিস্ট পলিটিক্সের জায়গা থেকে ট্রাম্পের সাথে পুতিনের এস্পেশিয়াল খাতিরের কোন কারণ নাই। রাশিয়ার সাথে পলারাইজেশান আরো বাড়বে।


 

৮। মুসলমানেরা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্ছলে সাফার করলেও, এতো দিন ধরে তারাই দায়ী হতো। এই সাফারিংস বাড়বে কিন্ত মরাল অথরিটির এই ক্ষয়টা থামবে।