"/> অন্তর্জাল
অনুবাদ
কাফকাফাঁদ থেকে সাবধান
ওয়েন্ডি ম্যাকএলরয় -05/21/2016





`কাফকাফাঁদ’কথাটি আসলে অপযুক্তি নির্মিত কোনো প্রতারণার দিকে আলোকপাত করে থাকে। নারীবাদ, বর্ণবাদী রাজনীতি, এবং বঞ্চিত ভুক্তভোগী জনগোষ্ঠীর ভাবাদর্শ– মূলত এসব ক্ষেত্রেই এই ছদ্মযুক্তিশীল প্রতারণা অনেক জনপ্রিয় একটি অপকৌশল। যখনই আপনাকে কোনো ভাবনা-লালনের-অপরাধের দায়ে দোষী করা হয়, তখনই এর উদ্ভব ঘটে। যেমন পুরুষতন্ত্র, বর্ণবাদ, বা সংখ্যালঘু ভাবনা কিংবা সমকামিতা এর কোন একটা ভাবনা যখন আপনার মাথায় আশ্রয় পায় আর এ কারণে আপনার বিরুদে্ অভিযোগ তোলা হয়। আর আপনিও যখন খুব আন্তরিকভাবেই তা প্রত্যাখ্যান করেন, এই অস্বীকার প্রবণতা বরং আপনি যে দোষী তাকেই আরও নিশ্চিত করে তোলে। আপনি এখন একটা বৃত্তাকার এবং মিথ্যে-প্রমাণ-করা-অসম্ভব এক তর্কে জড়িয়ে গেলেন। এভাবে যাকেই দোষারোপ করা হোক না কেন, সে আর নির্দোষ হতে পারবে না। কারণ কাফকাফাঁদ এই মুক্তির সমস্ত পথই ধ্বংস করে দেয়।

কাফকার উপন্যাস দ্য ট্রায়াল থেকেই এই কথাটার জন্ম। এই উপন্যাসে জোসেফ কে. নামের চরিত্রটি এক সকালে গ্রেফতার হয়। তবে তার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে তা যেমন চরিত্রটিকে জানতে দেওয়া হয় না, তেমনি পাঠককেও জানতে দেওয়া হয় না। জোসেফের বিচার প্রক্রিয়া চলতে থাকে অচেনা এক কর্তৃপক্ষের হাতে নিয়ন্ত্রিত অদ্ভুত, ও নৃশংস এক আদালতে। আর লাল ফিতার অভেদ্য প্রাচীরে আটকে থাকাই তখন তার একমাত্র দন্ড হয়ে দাঁড়ায়। শেষপর্যন্ত, জোসেফকে জোর করে ধরে নিয়ে দুই অচেনা ব্যক্তি। আর কোনো ধরনের যুক্তি-ব্যাখ্যা ছাড়াই হৃদপিন্ডে ছুরি বসিয়ে তার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। ট্রায়াল উপন্যাসটি আসলে সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো কোনো রাষ্ট্রে সমস্ত ক্ষমতা কুক্ষীগত করা কোনো একদলীয় বা কর্তৃত্বপরায়ন সরকার বিষয়ে কাফকার নিজস্ব অভিমতেরই প্রতিফলন। যেখানে বিচার নিজেই নিজের তিক্ত ও ভয়ংকর মিথ্যে অভিনয়ে (প্যারোডি) পর্যবসিত হয়। আর যারা ক্ষমতায় বসে আছে এই বিচার শুধু তাদেরই স্বার্থ হাসিলেই কাজে লাগে।

কাফকাফাঁদ যুক্তিকে বিকৃত করে, বাঁকায়চুড়ায়, আর সত্যকে নিজেরই মিথ্যে-অভিনয়ে পরিণত করে (সেলফ-প্যারোডি)। অভিযোগের শিকার হওয়া মতান্ধ ব্যক্তির উপর কাফকাফাঁদ এই যুক্তিবিকৃতি ও মিথ্যে-অভিনয় জারি রাখে। এটা ঘটে যখন ভুক্তভোগী ওই ব্যক্তি তথ্য-উপাত্ত আর যৌক্তিক বাকবিতন্ডা এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করে, যার মাঝে সত্য নিহিত থাকে। এই পরিভাষাটি এসেছে ২০১০ সালে প্রকাশিত এক লেখা থেকে। এর লেখক মুক্ত-উৎস ভিত্তিক সফটওয়্যারের পক্ষে লড়াইকারী এরিক এস. রেইমন্ড। আইনের সামনে চোখে সবার সমান অধিকার এবং অন্যদের প্রতি সম্মান প্রর্দশনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি লেখাটির সূচনা করেন। তবে তিনি এক পর্যায়ে লক্ষ্য না করে পারেননি, ‘সুযুক্তি কখনও কখনও কুপরিণামও বয়ে আনে।’ আর এমনই একটি বাজে পরিণতির কথা তিনি বলেছেন লেখাটিতে। তিনি বলেছেন, সচেতন করতে বা বাড়াতে যেসব কৌশল ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা বেঁকেচুরে, শিথিল হয়ে ‘অস্বস্তিকর আবেগ, চেচাঁমেচি বা মতিভ্রমে পরিণত হতে পারে, ধর্মপ্রচারের নেহায়েত শান্তশিষ্ট ধরণগুলোকে অনুকরনণর মাধ্যমেই তা ঘটতে পারে।’
কাফকাফাঁদ কিভাবে কাজ করে- এর বেশ কয়েকটি মডেল তুলে ধরেছেন রেইমন্ড। তবে সবচেয়ে সাধারণ কৌশল বলে মনে করছেন মডেল ক এবং গ-কে।

মডেল-ক: অভিযুক্ত ব্যক্তি যখন বলে, ‘আপি দোষী (পাপ, বর্ণবাদ, পুরুষতান্ত্রিকতা, নির্যাতন ইত্যাদি কোনো একটা কারণে), আর এ বিষয়টা স্বীকার করছেন না বলেই (পাপ, বর্ণবাদ, পুরুষতান্ত্রিকতা, নির্যাতন ইত্যাদি কোনো একটা কারণে) আপনি-যে দোষী তা আরও বেশি নিশ্চিত হয়ে পড়ে।’এর পর ট্রায়ালের দিকে নজর ফিরিয়ে, রেইমন্ড ব্যাখ্যা করেন দেখান, কিভাবে উপন্যাসের কাহিনিটা (প্লট) অভিযোগকারী ব্যক্তির যুক্তিতর্ক এড়িয়ে চলার (ননআর্গুমেন্ট) উদ্দেশ্য পূরণের যে কাঠামো তার সমান্তরাল হয়ে ওঠে। অভিযোগে কোনো সুনির্দিষ্ট কর্মের কথা উল্লেখ করা হয় না। এর ফলে অভিযোগ মিথ্যে তা প্রমাণ করা হয়ে ওঠে অসম্ভব। এই মিথ্যে অস্পষ্ট অভিযোগই একটা ভাবনা-লালনের-অপরাধকে ক্রমে গড়ে তোলে, এর ফলেও অভিযোগকে মিথ্যে প্রমাণ করা সম্ভব হয় না। যেমনটা ট্রায়াল উপন্যাসে, গোটা প্রক্রিয়াটাই গড়ে তোলা হয়েছে যেনো অপরাধবোধ তৈরির লক্ষ্যেই, আর অভিযুক্ত ব্যক্তির যাবতীয় প্রতিরোধ সামর্থ্যকে ধসিয়ে দেওয়ার জন্যই। যেনো আপনি নিরাপোসিতা ছেড়ে নমনীয় হয়ে ওঠেন। তখন আসলেই, ‘একমাত্র উপায়… হলো… তার নিজের ধ্বংসকে বিনা আপত্তিতে মেনে নেওয়া।’ এমনকি আপনি যদি নিরপরাধও হন, আপনার জন্য মুক্তির একমাত্র পথ, নিজের দোষ স্বীকার করা এবং শাস্তি মাথা পেতে নেওয়া। আরও সঠিকভাবে বললে, অভিযুক্ত ব্যক্তির দিক থেকে ভাবলে, আপনি এমনকি নিজে অপরাধ করেছেন বলেও বিশ্বাস করতে শুরু করবেন।

মডেল-গ হলো একই কৌশলের আরেকটা চলতি ধরণ। আপনি হয়তো করেননি, বা অনুভব করেননি কিংবা ভাবেননি যে কিছু একটা ভুল হয়েছে। তবু আপনি দোষী। কারণ, অন্যদের তৈরি করা সুবিধাপূর্ণ একটা অবস্থানে থেকে আপনিও লাভবান হয়েছেন। অন্যকথায়, আপনি দোষী, কারণ আপনি ‘পুরুষ’, ‘শেতাঙ্গ’ কিংবা ‘অসমকামী’ (হেটারোসেক্সুয়্যাল) বা এমন কোনো কোন গোষ্ঠীর একজন হিসেবেই আপনার পরিচয় চিহ্নিত। অচিন মানুষের কর্মকাণ্ডের জন্য, অভিযোগটা আপনাকেই দায়ী করবে যাদের আচরণের উপর আপনার কোনো নিয়ন্ত্রণই নেই, এবং এমনকি ওই সব লোক হয়তো মারা গেছে বহু আগেই। রেইমন্ড লিখেছেন, ‘ এর লক্ষ্য হলো … মুক্তভাবে এদিক-ওদিক ভাসমান অপরাধবোধের উদ্ভব ঘটানো… কারো ওপর কুকর্মের দোষ আরোপ করা, যাকে পরিচালক ব্যক্তিটি (অভিযোগকারী) দক্ষভাবে নিজের স্বার্থে একে বাঁকিয়েচুরিয়ে কাজে লাগাতে পারেন, যেনো পরিচালক ব্যক্তিটির ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় লক্ষ্য অর্জনের পক্ষে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি কথা বলে ও কাজ করে।’ এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে, আপনি অবশ্যই আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপনকারীর সঙ্গে দ্বিমত-করা বন্ধ করে দেবেন, এবং যে গ্রুপের সঙ্গে আপনার পরিচয় দাগানো, সেই গোষ্ঠীকে, মানে নিজের গোষ্ঠীকে, সম্পর্ণভাবে দোষারোপ করতে শুরু করবেন।

যখন কোন অভিযোগকারী একই পরিচয় বহনকারী গোষ্ঠীর কারো বিরুদ্ধে লড়াই করে তখন কী ঘটে, যখন ওই অভিযোগকারী নিজেও এই গোষ্ঠীরই একজন? উদাহরণ হিসেবে বলা যাক, কোনো নারী হয়তো অন্য কোনো নারীর উপস্থাপিত নারীবাদী ভাবনা রাজনৈতিকভাবে নির্ভুল কিনা সে নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। তখন একবারেই ভিন্ন একটা চেহারা দেখা যায়। বলা বাহুল্য, প্রশ্নকারী নারী হওয়ার কারণে, নিজেকে দায়ী-করা কিংবা সমস্ত নারীর তীব্র সমালোচনা করায় উৎসাহ বোধ করবেই না। বরং, সে ওই গোষ্ঠীর কেউ নয় বলেই চিহ্নিত হয়ে পড়বে।

একেই বলা হয় ‍’সত্যিকারের স্কটম্যান নয়’ নামের ফ্যালাসি বা অপযুক্তি। সাধারণ কোন দাবীকে অস্বীকার করে এমন কোনো দৃষ্টান্তের মুখে যখন কেউ পড়ে, তখনই এই অপযুক্তির অবতারণা ঘটে। ব্রিটিশ দার্শনিক অ্যান্টনি ফ্লো এই অপযুক্তির একটা বর্ণনা দিয়েছেন। তিনিই এ ধরনের ফ্যালাসির এই নাম দিয়েছেন। একদিন গ্লাসগো মর্নিং হেরাল্ড পত্রিকার একটি খবর পড়ছিলেন হামিশ ম্যাকডোনাল্ড নামের এক ব্যক্তি। খবরটি ছিল ইংল্যান্ডের এক যৌন-উন্মাদের হামলা সম্পর্কে। হামিশ চেঁচিয়ে ঘোষাণা করলেন, ‘কোন স্কটম্যান এমন কাজ করতে পারে না।’ পরদিন, দ্য গ্লাসগো মর্নিং হেরাল্ড আরও জঘন্য একটি হামলার খবর প্রকাশ করে, যা স্কটল্যান্ডে ঘটেছে। তখন আগের ঘোষণা বাতিল করার পরিবর্তে হামিশ বিস্ময় প্রকাশ করে বলে, ‘সত্যিকারের কোনো স্কটম্যান এমন কাজ করতো না।’ আর এ কারণেই, সারা পলিনের মতো কনজারভেটিভ কোনো নারী খাটি নারী বলে গণ্য হবেন না। কৃষ্ণাঙ্গরা যারাই সাদাদের অগ্রাধিকারের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলবে, তাদেরকে শুধু সত্যিকারের কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবেই তুলে ধরা হবে।

কাফকাফাঁদের সঙ্গে আরো কিছু কৌশল যুক্ত হয়ে পড়ে। (দ্রষ্টব্য: সত্যিকারের কাফকাফাঁদ হয়ে উঠার একটা কৌশল, এ ফাঁদে মিথ্যে প্রমান করা সম্ভব নয় এমন কোনো অভিযোগ থাকতে হবে।) আপনার দোষ প্রমাণ করতে যেসব সব কৌশল প্রয়োগ করা হয় তাদের মধ্যে রয়েছে:

১. আপনার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তার একটা সুস্পষ্ট সংজ্ঞা দাবী করা হয়- যেমন সমকামতা;
২. অভিযোগ উত্থাপনকারী যে গোষ্ঠীর পরিচয় বহন করে সেই গোষ্ঠীই কোন অবিচার করেছে বলা হয়;
৩. একই মানদন্ড প্রত্যেকের উপর প্রয়োগ করা হয়, অর্থাৎ, কৃষ্ণাঙ্গরা যে বর্ণবাদী হতে পারে না, তা-ই অস্বীকার করা;
৪. নির্যাতিতবা ভুক্তভোগীর ভাবাদর্শের যেকোনো দিক ও প্রেক্ষিত নিয়ে তীব্র সন্দেহ পোষণ করা, এর মধ্যে কাল্পনিক-তথ্যের সম্ভবপরতা খতিয়ে দেখার মতো বিষয়ও রয়েছে;
৫. কোন বিষয় সম্পর্কে অবহিত না-থাকা, কিংবা তা নিয়ে আগ্রহ না-থাকা;
৬. ওই ভাবাদর্শটির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক চালানো;

অভিযোগকারীর কাছে কাফকা ফাঁদ মনে হতে পারে বুঝি দুইপক্ষের জন্যই লাভজনক। আর, স্বল্পকালের জন্য, তা সত্য হতে পারে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

একটা আন্দোলন ব্যাপভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে এর দাবী সত্য বলে, অন্তত, বেশিরভাগটাই সত্যি বলে, আর তার বিচারের দাবীও বাস্তবস্মত বলে।… কোনো আন্দোলন থেকে যখন এর সত্য আর ন্যয়বিচারকে ছেঁটে ফেলা হয়, তখন একে অপব্যবহারের পথই প্রশস্ত করে ও এক পর্যায়ে গোটা আন্দোলনটাই অপব্যবহারকারীর শিকারে পরিণত হয়, তখন আন্দোলনটা ক্রমেই নিস্তেজ হতে থাকে। বাস্তব কোনো ইস্যুর ইতিবাচক আলোচনাকেও বিপথগামী করে এই অপব্যাবহার। রেইমন্ড লক্ষ্য করেছেন, ‘মানুষজনের নিয়ন্ত্রণেরধান্ধাবাজি কৌশলগুলো যেসব দাবীদাওয়ার কারণে আন্দোলনটি চলছে, সেসব কারণকেই হাপিশ করে দিতে পারে। যেসব মূল্যবান লক্ষ্য নিয়ে আন্দোলন চলছিল সেসবও বেমালুম করে দিতে পারে।এবং ওইসব লক্ষ্যকে কেউ ব্যক্তিগত ক্ষমতা অর্জনের হাতিয়ার করে তুলতে পারে। আর এটাই আর-সব লক্ষ্যকে ছাপিয়ে যেতে পারে।’

আরেকটি ভিন্ন সমস্যাও মাথা চারা দেয়। তা ঘটে, যখন কোনো অভিযোগকারী কাফকাফাঁদকে আসলেই বিশ্বাস করেন। কোনো নারী যখন মানেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, সমস্ত পুরুষই নীপিড়ক। তখন সামাজিক সমস্যা সামাধানে শুভ পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রেও তার পক্ষে পুরুষের সঙ্গে সহযোগিতা করা ও অব্যাহত রাখা কঠিন। পুরুষের উপর আধিপত্য করা যায় এমন একটি অবস্থানই তিনি বড়জোর অর্জন করতে চাচ্ছেন। আর আত্মরক্ষার নামেই তিনি এ বিষয়টির প্রতি সমর্থন জারি রাখেন। কিংবা মনে করেন, এ অবস্থানটাই তার সমোচিত প্রাপ্য, অথচ এখনও তা পাননি। এটা নারী-পুরুষের মধ্যে টানাপড়েন বাড়ায় এবং সমস্যা সামধানের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। কাফকাফাঁদের সত্যিকারের বিশ্বাসী ব্যক্তি দিন দিন জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে পড়েন। সে জনগণকে ‘শত্রু’ হিসেবেই দেখে থাকে। কারণ জনগণ তার সঙ্গে সহমত নয়। কাফকাফঁদে সত্যিকার বিশ্বাস রাখে এমন কেউ বিভিন্ন শ্রেনীপেশার বিশাল জনগোষ্ঠূর সঙ্গে একাত্ম যেমন হতে পারেন না, তেমনি তাদের সঙ্গে নিজের যোগাযোগও স্থাপন করতে পারেন না। কাফকাফাঁদপন্থিরা তর্কে জয়ী হয় ঠিকই, কিন্তু শেষপর্যন্ত সামষ্টিক মূল্যবোধ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ে।