"/> অন্তর্জাল
কথাবার্তা
“আপনার সেন্স অব হিউমার কেমন?”
-11/11/2016





 

কবার একজন আমাকে প্রশ্ন করলেন- “আপনার সেন্স অব হিউমার কেমন?”

প্রশ্ন শুনে আমি তবদা মেরে গেলাম। ব্যাপারটা তো ভেবে দেখিনি! এম্নিতে আমার হাস্যরস, কৌতুক, কমেডি ইত্যাদি বেশ ভালো লাগে। আমি শেক্সপিয়ারের কমেডিগুলো একাধিকবার পড়েছি কিন্তু ট্র্রাজেডি অধ্যায় একবার পড়তেই আমার অবস্থা কাহিল হয়ে গিয়েছিলো। আমি শরৎচন্দ্রের সব লেখাই অনেকবার করে পড়েছি, বাট দেবদাস ২/৩ বারের বেশি নয়।
কিন্তু তাই বলে তো আমি দাবি করতে পারি না আমার সেন্স অব হিউমার বেশি। কিন্তু কম সেটা স্বীকার করতেও লজ্জা।

তাই তখনকার মতো চুপ করে থেকে পরে বিষয়টা নিয়ে অনেক ভেবেছি। ভেবে ভেবে আজকে সিদ্ধান্ত আসলাম: আমার সেন্স অব হিউমার খুবই নিম্ন কোয়ালিটির। বলা যায় লোয়ার শ্রেণীর। বলা হয় প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে ধীরে বুঝে গণ্ডার। কাতুকুতু দেয়ার তিনদিন পর নাকি ঐ প্রাণী হাসে।

কিন্তু অবাস্তব হলেও সত্যি, একটা কৌতুক বুঝতে আমার দশ বছরের মতো সময় লেগেছে। এর আগে সেটা আমি কিছুতেই বুঝতে পারি নি।
জানতে ইচ্ছে করছে সেটা?

এক ছেলে এক মেয়েকে বলছে: “ঢাকা টু খুলনা”।
মেয়েটা উত্তর দিচ্ছে: “খুলনা টু পাবনা।”

আশ্চর্য়জনক হলেও সত্যি, এই কৌতুক/জোকসটা শোনার মোটামুটি দশ বছর পর আমি এর অর্থ বুঝতে পেরেছিলাম এবং তারপর হেসেছিলাম।
কৌতুকটা মনে করে এখনও হাসি।
তবে আগে হাসতাম- কৌতুকটা বুঝতে পেরেছি, তাই। 

আর এখন হাসি- কৌতুকটা দশ বছর পর বুঝতে পেরেছি, তাই। 

ভালো কথা, আপনারা কি এই কৌতুকটা বুঝেন? মানে সাথে সাথেই বুঝে ফেলেছেন? তাহলে আপনার সেন্স অব হিউমার অতি উচ্চ পর্য়ায়ের। নইলে আমার মতোই!



পান্থ বিহোস
জন্ম: ১৮ জুলা